লকডাউন শুধু ওবায়দুল কাদেরের মুখের মধ্যে কারণ এখন আমি রিক্সা ড্রাইভার

করোনাভাইরাসের আগ্রাসী রূপ ঠেকাতে কঠোর লকডাউনে নিজেকে সুরক্ষায় সচেতনতার সর্বোচ্চ নজির স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে একগুঁয়েমি এবং অবাধ চলাচল পরিস্থিতিকে জটিল থেকে জটিলতর করে তুলছে। তাই এ অবস্থায় ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্ভেদ্য দুর্গ গড়ে তুলতে হবে।

শনিবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সামান্য অবহেলায় জীবন হতে পারে বিপন্ন উল্লেখ করে তিনি মানুষের জীবনের সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে প্রতিপালনের জন্য সবার প্রতি আহবান জানান।

সেতুমন্ত্রী সবাইকে স্মরণ করে দিয়ে বলেন, প্রশাসন ও পুলিশকে ফাঁকি দেওয়া যায়। কিন্তু মৃত্যুকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। তাই স্বাস্থ্যবিধির প্রতি অবহেলা আমাদের জীবন থেকে ছিটকে দিতে পারে।প্রসঙ্গত, কোভিড ১৯ সংক্রমণ রোধে আগামী সোমবার থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহ কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।জরুরি পণ্যবাহী ব্যতীত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে শুধু যানবাহন চলাচল করতে পারবে। জরুরি কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না।

ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের তো লজ্জা হওয়া উচিত। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাহেবের। আপনার এলাকায় কি হচ্ছে? আজকে পত্রিকায় এসেছে, সেখানে যে দুটি খুন হয়েছে- তাদের মধ্যে একজনের ( শ্রমিক) ভাই মামলা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি। কাদের মির্জার (ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই) বিপক্ষে মামলা নেয় নাই। কারণ তিনি তো শুধু কাদের মির্জা নন। তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় শক্তিশালী ওবায়দুল কাদের সাহেবের ভাই। কোথায় আপনার সুবিচার? কোথায় গণতন্ত্র ও ন্যায়ের শাসন?