যে পরিকল্পনার কথা জানালেন মেয়র তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আধুনিক ও উন্নত ঢাকা গড়তে ৩০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এ ছাড়া মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হয়েছে।

এতে চলতি বছরে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে মুক্তি পাবে ঢাকাবাসী। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে খাল ও বক্স কালভার্টের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খনন কাজ চলমান থাকায় এ বছর জলাবদ্ধতা কমে আসবে।নগরের দায়িত্ব নেয়ার পর গত ১১ মাসে ৫২৪ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। জুন মাসে রাজস্বের পরিমাণ ৬০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

করোনা মহামারির মধ্যেও সুশাসিত ঢাকা গড়ার অভিযাত্রা বীরদর্পে এগিয়ে চলছে। বুধবার দুপুরে নগর ভবনের মেয়র হানিফ মিলনায়তনে দায়িত্ব পালনের এক বছরের সার্বিক কার্যক্রম ও অগ্রগতি নিয়ে ‘উন্নত ঢাকার ভিত রচনা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে আগামী দিনের কর্ম পরিকল্পনাও তুলে ধরেন মেয়র। তাপস বলেন, আমরা উন্নত ঢাকা গড়ে তোলার ভিত রচনা করে চলেছি।৩০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করার উদ্যোগ নিয়েছি।করপোরেশন হতে এ ধরনের মহাপরিকল্পনা আগে কখনোই প্রণয়ন করা হয়নি। এই পরিকল্পনা প্রণয়নে আমরা সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বারবার বৈঠক করছি।মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে নানামুখী বিচার বিশ্লেষণ ও সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে আমরা একটু বেশি সময় ব্যয় করে চূড়ান্ত করছি।

চলতি বছরে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে ঢাকাবাসী মুক্তি পাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন,করোনা মহামারির মধ্যেই যাতে নগরবাসীকে ডেঙ্গুর পীড়াদায়ক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে না হয় সেজন্য আমরা শুরু থেকেই মশক নিয়ন্ত্রণের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছি।মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে নতুন করে ঢেলে সাজিয়েছি।

আল্লাহর রহমতে আমরা সফলতা পেয়েছি। গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো প্রাণহানি হয়নি।এ বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে কিউলেক্স মশার উপদ্রব কিছুটা বাড়লেও আমাদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে দুই সপ্তাহের মধ্যেই কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি।