গোপন বৈঠক করতে মুনিয়ার বোনকে আল্টিমেটাম দিলেন আনভীর

দেশের অন্যতম চাঞ্চল্যকর ঘটনা কলেজ ছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার।

২১ বছর বয়সী এই তরুণী গুলশানের ব্যয়বহুল ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। ঘটনাটি ‘হত্যা’ নাকি ‘আত্মহত্যা’ বিষয়টি এখনও উদঘাটন হয়নি।তবে এ ঘটনায় ‘আত্মহত্যার প্ররোচনার’ অভিযোগে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন

মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া। সে সময়ে মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধারের পর অভিযোগ ওঠে ওই ফ্ল্যাটের ভাড়াসহ মুনিয়ার আনুসাঙ্গিক খরচ বহন করতেন বসুন্ধরার সায়েম সোবহান আনভীর। বিনিময়ে তিনি যখন ইচ্ছে তখনই ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে সময় কাটাতেন। ঘটনার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে।

মুনিয়ার মৃত্যু ঘটনা ঘটে গত ২৬ এপ্রিল।

ছোট বোনের মৃত্যুর ঘটনায় পরের দিন ২৭ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন নুসরাত জাহান তানিয়া। এরপর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর ও তার পরিবার।

এক পর্যায়ে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা করোনার টিকা দেওয়া কথা বলে চার্টার্ড বিমানযোগে দুবাই চলে যায়। তবে তারা আজ পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন কিনা সে তথ্য এখনও জানা যায়নি। আর সায়েম সোবহান আনভীরের অবস্থান নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে। যা এখনও কাটিয়ে উঠেতে পারেনি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা।

অজ্ঞাত স্থান থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মামলার বাদি নুসরাতকে মামলাটি তুলে ফেলতে একের পর এক প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত নিজেই আরটিভি নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন। ওইসব প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নুসরাতের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুৎসা রটানো হচ্ছে। অসৎ উদ্দেশ্যে আনভীর তার লোকজনকে দিয়ে বিভিন্ন পেজ থেকে বুস্টিং করে কুৎসা ছড়িয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন নুসরাত।